সর্বশেষ :
পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে হাওর প্লাবিত: পাকনার হাওর পরিদর্শনে এমপি বিয়ানীবাজারে মানব পাচারকারী ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ১২ ঘণ্টায় পিছু হটল এসএমপি ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী কমলগঞ্জে নিম্নাঞ্চলে বন্যায় ৫০ পরিবার পানিবন্দি, দুর্ভোগ এসএসসি পরীক্ষার্থী হাম উপসর্গে সিলেটে আরও এক শিশুর মৃত্যু সিলেটে নদ-নদীর পানির উচ্চতা বাড়াচ্ছে ভারতের ঢল এআই আতঙ্কে নিজের কণ্ঠস্বর ও অবয়বের ট্রেডমার্ক চাইলেন টেইলর সুইফট ব্যাটিং ধসে শ্রীলঙ্কার কাছে হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে হাওরে হাহাকার: পানির নিচে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন

সুখবর পেলেন পাকিস্তানের কারাবন্দি নেতা ইমরান খান

সুখবর পেলেন পাকিস্তানের কারাবন্দি নেতা ইমরান খান

আন্তজার্তিক ডেস্ক
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভাগ্নে শেরশাহের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার লাহোরের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) এ জামিন দেন। শেরশাহের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৯ মে’র দাঙ্গার সময় জিন্নাহ হাউসে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি ইমরানের বোন আলেমা খানের ছেলে।

সন্দেহভাজন হিসেবে তার ভাই শাহরেজকে গ্রেপ্তারের একদিন পর গত ২২ আগস্ট তাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। প্রথমে তাকে পাঁচ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। পরে তাকে ১৪ দিনের বিচারিক রিমান্ড দেওয়া হয়। ওই সময় তাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

২০২৩ সালে দুর্নীতির মামলায় পিটিআই প্রতিষ্ঠাতাকে গ্রেপ্তারের পর ৯ মে সারা দেশে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এই সহিংসতার মধ্যে সামরিক ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা করা হয়। জিন্নাহ হাউসের ঘটনাটি সবচেয়ে হাই-প্রোফাইল মামলাগুলোর মধ্যে একটি।

আজকের শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তি দেন, মামলার চালান উপস্থাপন করা হয়নি এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হেফাজতে রাখা যাবে না।

আইনজীবী আরও বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ নেই। তিনি কোনো দাঙ্গায় জড়িত নন। যুক্তি শুনানির পর আদালত শেরশাহর জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। একদিন আগে তার ভাই শাহরেজও ৯ মে সহিংসতার সাথে সম্পর্কিত একটি মামলায় জামিন পান।

উভয় ভাইয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানো এবং দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সূত্রগুলো আগে জিও নিউজকে জানিয়েছে, উভয় সন্দেহভাজনকে প্রাথমিকভাবে জিন্নাহ হাউস হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং একটি পুলিশ ভ্যান পোড়ানোর পাশাপাশি কয়েক মাস ধরে রাষ্ট্রবিরোধী ডিজিটাল প্রচারণা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

সহিংসতার পরে তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং পরে লন্ডনে পালিয়ে যান। সেখানে তিনি প্রায় দুই বছর অবস্থান করেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। এরপর পাকিস্তানে ফিরে এলে তিনি গ্রেপ্তার হন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff